Showing posts with label discusing. Show all posts
Showing posts with label discusing. Show all posts

Sunday, May 5, 2013

বাড়িয়ে নিন আপনার এন্ড্রয়েডের Ram!! ২.৫ জিবি পর্যন্ত!!


খুব সহজেই বাড়িয়ে নিন আপনার এন্ড্রয়েডের Ram!! ২.৫ জিবি পর্যন্ত!!
                                                    {collected from  mahamudul hasan }


আপনি খুব সহজেই আপনার এন্ড্রয়েড এর Ram বাড়াতে পারবেন !
 খেলতে পারবেন দারুণ সব বড় বড় গেমস এবং কাজ করতে পারবেন আরোও অনেক দ্রুত গতিতে!!

আপনার যা যা লাগবে :
১) রুটেড এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন।
২) একটি ক্লাস ৮ মাইক্রোএসডি মেমোরি কার্ড ( নুন্যতম 8 MBPS স্পিড হওয়া উচিত)
৩) Ram Expander.

প্রথমে এইখান থেকে Ram Expander এপ টি ডাউনলোড করে নিন

এবার এপটি ইন্সটল করে অপেন করলে নিচের ছবির মতো দেখতে পাবেন।
Ram Expander

এখন আপনার মেমোরি কার্ড যদি ৪জিবি হয় তবে সর্বচ্চ ৫১২ আর ৮জিবি হলে সর্বচ্চ ৮৫০ সোয়াপ সাইজ সিলেক্ট করে সোয়াপ একটিভ এনাবেল করে দিন।
দেখবেন একটি সোয়াপ ফাইল তৈরি শুরু হবে। কিছুক্ষণ সময় লাগবে সোয়াপ সাইজ অনুযায়ী। এই সময়ে অন্য কোন কাজ করবেন না। আর সোয়াপিনেস আপনি ০ থেকে ১০০ যেকোন মান ব্যবহার করতে পারেন। ০ দিলে ভার্চুয়াল মেমরি/রেম ব্যবহার করবে না! আর যত বাড়াবেন ততবেশী ব্যবহার বাড়বে। আমি ৫০ বা ডিফল্ট দিয়ে ব্যবহার করছি।
সোয়াপ ফাইল তৈরি হলে আপনার ভার্চুয়াল রেম বৃদ্ধি পাবে এবং অতিরিক্ত রেম হিসেবে আপনার এন্ড্রয়েড ঐ সোয়াপ ফাইলকে ব্যবহার করবে। বাস্ কাজ শেষ। আমি আমার Symphony w10 এ ব্যবহার করছি। এবং সর্বমোট ১জিবি রেম!!

সতর্কবার্তা :
১) সোয়াপ রান করা অবস্থায় কোন ভাবে মেমরি কার্ড রিমুভ করবেন না।
২) মেমরি কার্ড এ যে সোয়াপ ফাইল তৈরি হবে তা অবশ্যই ডিলিট করবেন না।
৩) এটি খুব সহজ এবং নিরাপদ প্রক্রিয়া। তারপরও আপনার এন্ড্রয়েড এর কোন সমস্যা হলে তার দায়িত্ব শুধুই আপনার।

Saturday, May 4, 2013

অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস গুলো কেন শুরু থেকেই রুট করা থাকে না? {collected from: বেলাল হোসাইন )

অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস কে রুট করা একটি আবশ্যিক ব্যাপার যার দ্বারা  আপনার অ্যান্ডরয়েড ডিভাইসটির সেই সব সুবিধা সমূহ আনলক করে যা মূলত অ্যাপেলের আইওএস (iOS) এবং অ্যান্ডরয়েডের মাঝে পার্থক্য বিশেষ। একটি রুট করা অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস এর পুর অপারেটিং সিস্টেম টাই আপনি পালটে দিতে পারেন।
তা এত সুবিধা যখন আছে, তবে শুরু থেকেই কেন আপনার অ্যান্ডরয়েড ডিভাইসটি রুট করে দেওয়া হয় না? 
এমনকি আপনি যদি গুগল এর Nexus 4 অথবা 7 ক্রয় করেন, আপনাকে নিজে থেকেই রুট করতে হবে। কিন্তু ব্যাপারটা কি? এর পিছনে কি কোন যোগ্য কারণ আছে?



আপনার নিজের নিরাপত্তার জন্যইঃ

অ্যান্ডরয়েডের অন্যতম একটি সুবিধা হচ্ছে আপনার ডাউনলোড করা প্রতিটি অ্যাপ চালু করলে এটি এর গণ্ডিতে বেঁধে তা চালনা করে। আপনি যখন কোন অ্যাপ আপনার ডিভাইসটিতে ডাউনলোড করেন, তখন আপনি অ্যান্ডরয়েড এর বাঁধা-ধরা নিরাপত্তা বেষ্টনীর মাঝে একে চালাচ্ছেন।
এটিই হচ্ছে আপনার অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস এর Permission লিস্ট – সেই সব এলাকাগুলোকে নির্দেশ করে যা আপনার ডাউনলোড করা অ্যাপ অ্যাক্সেস করতে পারবে। একে তুলনা করুন একটি অফিস কম্পিউটার এর মত। যদি আপনার IT সার্ভিস কিছু ওয়েবসাইট বা সার্ভিস বন্ধ করে রাখে, আপনি এই ব্যাপারে তেমন কিছুই করতে পারেন না।
এই জিনিসটি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মোটামুটি প্রয়োজনীয়। অ্যান্ডরয়েড এর অ্যাপস গুলোকে গণ্ডির মধ্যে বেঁধে রাখা হয় যাতে এগুলো আপনার ডিভাইস এর অনাকাঙ্ক্ষিত এলাকা ঘুরে তথ্য চুরি করতে না পারে। যা পচা অ্যাপগুলোর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে রাখে। (অন্তত এমনটাই বলা হয়!)
রুট করার মাধ্যমে আপনার ডিভাইসের এই নিরাপত্তা বেষ্টনীটি আর থাকে না। আর এর ফলে অ্যাপ গুলো আপনার ডিভাইসের প্রায় যেকোনো অংশে যাতায়াত করতে পারে। খুব ভাল কথা না, কি বলেন?


সিস্টেম ফাইল গুলো নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ:

রুট করার মাধ্যমে কেবল পচা অ্যাপগুলোই স্বাধীন হয়ে যায় না। এর মাধ্যমে অ্যান্ডরয়েড এর সিস্টেম ফাইল গুলো উন্মুক্ত হয়ে যায় আপনার ডিভাইস এর সবচেয়ে বড় শত্রুর কাছে – যা আপনি নিজেই।
উইন্ডোজ ৯৫/৯৮ এর দিন গুলোতে আপনি অপরিহার্য সিস্টেম ফাইল গুলো নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে পারতেন, এমনকি ডিলিটও করে দিতে পারতেন! যা আপনার কম্পিউটারে একটি তাৎক্ষনিক BSOD এর সৃষ্টি করে! ইন্নালিল্লাহ!!
স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে এটি আরও ভয়ের ব্যাপার কারণ এই ধরণের সার্ভিসিং করা এতে তেমন সহজ নয়। মানে হল, যদি উইন্ডোজ হ্যাং হয়ে যায় তাহলে আপনি আবার এক্সপি/সেভেন/এইট সেটআপ দিয়েই একে ঠিক করে ফেলতে পারেন। কিন্তু যদি এমন টা আপনার অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস এর সাথে হয়, আর সবচেয়ে শেষের পন্থাও কাজ না করে, তাহলে কি করবেন? কান্নাকাটি করবেন আর নতুন একটা কেনার প্রস্তুতি নিবেন :P
মাইক্রোসফট যেখানে কিছু পরে উইন্ডোজ এর সেই সমস্যার সমাধান করেছে উইন্ডোজ এর সিস্টেম ফাইল গুলোকে ইউজার এর হাত থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা করে। সেখানে গুগল শুরু থেকেই এমন সমস্যার হাত থেকে রক্ষিত থাকার ব্যবস্থা করেছে। অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস এর সিস্টেম ফাইল গুলোতে রুট অ্যাক্সেস বন্ধ রেখে, যাতে করে আনাড়ি অ্যান্ডরয়েড ইউজার বিসমিল্লায় গলদ না করে বসে!

 মোবাইল ক্যারিয়ার গুলো নিজেদের ব্র্যান্ড নিয়ে চিন্তা করেঃ

যদিও বাংলাদেশে এমন সিস্টেম নেই, তবে অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস রুটেড না থাকার অন্যতম বড় একটি কারণ হল ক্যারিয়ার গুলোর হস্তক্ষেপ। ব্যাপারটা সহজ ভাষায় বলার চেষ্টা করি:
আপনি যদি আপনার মোবাইল ক্যারিয়ার দ্বারা একটি অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস কিনেন, তবে এতে আগে থেকেই ক্যারিয়ার কর্তৃক কিছু অ্যাপ ইন্সটল করা থাকবে যা বেশ কিছু ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস ব্যবহার করা সহজ করে দিবে। যেমনটি বলেছিলাম বাংলাদেশে এমন পদ্ধতির তেমন প্রচলন নেই, তবে ইউরোপিয়ান দেশগুলোতে এমন প্যাকেজ আকারে বিক্রয় প্রচলিত।
উদাহারনসরূপঃ ভেরিজন, এক প্রকার অ্যাপ দিয়ে থাকে যা আপনার ডাটা ইউসেজ চেক করতে সাহায্য করে। এই অ্যাপ ভেরিজন ব্যবহার করা অনেকটা সহজ করে তোলে। সেখানে নতুন কোন ক্যারিয়ার এর সাথে আপনার ডিভাইসটি ব্যবহার করা অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে যেতে পারে।
বাংলাদেশে আমার জানামতে গ্রামীনফোনের ক্রিস্টাল হচ্ছে ওই প্রকারেরই একটি প্যাকেজের ডিভাইস (গ্রামীনফোন হচ্ছে সেই ক্যারিয়ার)। তবে আমি এই বিষয়ে নিশ্চিত না এতে গ্রামীনফোনের নিজস্ব কোন অ্যাপ ইন্সটল করা থাকে কিনা।
এছাড়া মাইক্রোম্যাক্স এর মোবাইল গুলোতে বেশ কিছু অ্যাপ ইন্সটল করা থাকে যা প্রায় সব ক্ষেত্রেই পুরোপুরি অপ্রয়োজনীয়। আপনি হয়ত চাইবেন এই অ্যাপগুলোকে মুছে ফেলতে, কিন্তু মাইক্রোম্যাক্স চায় না আপনি এমনটি করুন।
আর এইটি অন্যতম একটি কারণ আপনার ডিভাইস রুটেড না থাকার পিছনে।

গুগল একটি কোম্পানি, মনে আছে তো?

এই বিষয়টি অজানা নয় যে, গুগল নিজেও চায়না ডিভাইস গুলো রুট করা থাকুক। উদাহারনসরূপঃ Nexus 7 কেবল একটি Wifi ডিভাইস। তাই মোবাইল ক্যারিয়ারের কোন হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই। কিন্তু এর পরেও কেন ফ্যাক্টরি থেকে একে রুট করা হয়নি কেন?
যেমনটি আমি শুরুতেই বলেছি, নিরাপত্তা হচ্ছে একটি কারণ। কিন্তু গুগল এর ব্যবসা হচ্ছে আরেকটি কারণ। গুগল অ্যান্ডরয়েডকে ফ্রি বিতরণ করছে, কিন্তু ওদের তো মুনাফা করতে হবে নাকি? তা করবে কিভাবে!? সহজ উত্তর, বিজ্ঞাপন!
ডেভেলপারেরা তাদের ফ্রি অ্যান্ডরয়েড অ্যাপ গুলোকে সাপোর্ট করেন গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে। আর বিজ্ঞাপনদাতারা মনে করেন মোবাইল/স্মার্টফোন একটি অন্যতম মাধ্যম তাদের প্রচারের জন্য।
কম্পিউটার ইউজার খুব সহজেই এই অ্যাড গুলো এড়িয়ে চলতে বা ঝেড়ে ফেলতে পারেন। কিন্তু অ্যান্ডরয়েড ডিভাইসে তেমনটি করা অত সহজ নয়। AdBlock Plus গুগল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া গেলেও, রুট না করা থাকলে এই অ্যাপ তেমন ভাল কাজ করে না! একই ব্যাপার এই ধরনের অন্যান্য অ্যাপ গুলোর ক্ষেত্রেও। যদি ঠিকমত অ্যাড ব্লক করতে চান, ডিভাইস রুটেড হতে হবে!
যদিও ব্যাপারটা গুগল এর দিকে তেমন সুন্দর শোনায় না। কিন্তু একটু ভাবলে বিষয়টা বোঝা যাবে। গুগল থেকে অ্যান্ডরয়েড ফ্রি দেওয়া হচ্ছে, আর অধিকাংশ ডিভাইস ই তুলনামূলক সস্তা। অ্যাড বা বিজ্ঞাপন হচ্ছে এক প্রকার মূল্য যা আপনি গুগলকে ইউজার হিসেবে দিচ্ছেন। ডিভাইসকে রুট অ্যাক্সেস না দিয়ে, গুগল এটা নিশ্চিত করে।
সবশেষে বলা যায়, অ্যান্ডরয়েড ডিভাইস রুট করা থাকে না, কারণ গুগল এমনটি চায় না।
অ্যান্ডরয়েড হচ্ছে গুগল এর তৈরি। তাই এটিই নির্দেশ করবে অ্যান্ডরয়েড কি করতে পারবে, কি পারবে না। যেকেউ গুগল এর এই অপারেটিং সিস্টেম ফ্রি ব্যবহার করতে পারবে, তবে কিভাবে করা হবে তার মূল তত্ত্ব গুগল-ই দিবে। এই লেখাটিতে কেবল মাত্র কারণ গুলো উল্লেখ করা হয়েছে মাত্র, কিন্তু আপনি যাই ভাবেন না কেন, অ্যান্ডরয়েড রুট সম্পর্কিত এই সিদ্ধান্ত গুগলেরই অধিকৃত :)
আপনার কি মতামত, রুট অ্যাক্সেস না দেওয়ার সিদ্ধান্তটি কেমন বলে মনে হয়? শুরু থেকেই ডিভাইস গুলো রুট করা থাকলে কি তেমন বড় কোন পার্থক্য হত? মতামতে জানান :)

পিসিতে android ইন্সটল করুন উইন্ডোজ এর মত

 আজ আমি আপনাদের শিখাব কিভাবে পিসি তে android সেটআপ দিবেন। ত চলুন শুরু করা যাক।

বিঃদ্রঃ এই টিউন টি দেখে যদি আপনি এই কাজ টি সঠিক ভাবে না করেন তাহলে আপনার হার্ড ডিস্ক এর সমস্ত ফাইল ফরম্যাট হয়ে যাবে।।
প্রয়োজনীয় টুলসঃ
১ android setup disk image.iso(185 mb)  ডাউনলোড
২ Power Iso 5.5 full. ডাউনলোড  Name: Foyzur  Key: BJ2N3-HBKUK-8A7BX-KAK3X-5FL1Z
৩ একটি হার্ড ডিস্ক(যেটাতে উইন্ডোজ ইন্সটল করা নেই) জায়গা লাগবে মিনিমাম ৪(চার)জিবি।(যদি এই ডিস্কে উইন্ডোজ ইন্সটল করা থাকে তাহলে আপনার উইন্ডোজ চলে যাবে)।
৪ একটি পেন ড্রাইভ external sd card তৈরির জন্য।
৫ একটি খালি(blank) ডিস্ক। সিডি হলে চলবে।
ব্যাস! তাহলে শুরু করা যাক।
android iso ডাউনলোড করে নিন। তারপর পাওয়ার আই এস ও ইন্সটল করেনিন। একটি খালি ডিস্ক কম্পিউটারে ঢোকান
তারপর পাওয়ার আই এস ও ইন্সটল করার পর এটি চালু করে open এ ক্লিক করুন তারপর android iso ফাইল টি ওপেন করুন নিচের ছবির মত
তারপর উপরের burn লেখা বাটনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষনের মধ্যে ফাইল গুলো ক্যাসেটে ঢুকে যাবে। কমপ্লিট হবার পর পিসি restart দিন।
তারপর boot মেনুতে যাবার জন্য কীবোর্ড এর F12(অন্যান্য কম্পিউটারে এই অপশন ভিন্ন হতে পারে) তে চাপ দিতে থাকুন। boot মেনু থেকে বুট ফ্রম cd-rom এ এন্টার চাপুন।
তারপর android x86 নামের একটি সবুজ স্ক্রীন আসবে। এই স্ক্রীন আসার পর চারটি option আসবে।৪ নম্বর option(install android x86 to hard disk) এ এন্টার চাপুন। কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। তারপর আরেক টি স্ক্রীন আসবে। এই স্ক্রীনে আপনাকে বলা হবে কোন জায়গায় android install করবেন। ওখান থেকে আপনার খালি (উইন্ডোজ ছাড়া) হার্ড ডিস্ক সিলেক্ট করেন। এখানে আপনাকে শুধু হার্ড ডিস্ক এর নাম লেখা দেখাবে।
যদি হার্ড ডিস্ক শনাক্ত না করতে পারেন তাহলে একটি ৮ জিবির পেন ড্রাইভ কম্পিউটারে প্রবেশ করান। তারপর রিস্টার্ট করে F12 তে চাপ দিন।
তারপর এই স্ক্রীনে এসে USB Flash Disk Drive সিলেক্ট করুন। তারপর ফরম্যাট করার জন্য বলবে। যদি আপনার পেন ড্রাইভ ফরম্যাট করা থাকে তাহলে do not format এ চাপ দিন। তা না হলে ফরম্যাট উইথ fat32 এ ক্লিক করুন। তারপর বলবে do you install boot loader GRUB? Yes চাপুন। তারপর 185000 kb ইন্সটল হবার পর বলবে run অথবা reboot করার জন্য। run এ click করুন। ১৮৫ এমবি ইন্সটল এর মাঝে যদি কোন কিছু ইয়েস করার কথা বলে তাহলে নো চাপবেন।
ব্যাস !!!!!!! হয়ে গেল আপনার Android Install তারপর মোবাইল reset করার পর যে ধাপ অনুসরন করতে হয় সেগুলো করবেন।
কাজ হলে কমেন্ট করে জানাবেন। কোন সমস্যা হলে জানাবেন।
ধন্যবাদ। প্রথমে এখানে প্রকাশিত fck47foyzurbd.tk

Second hand set কেনার আগে করণীয় :-



আমার মত আনেকেই অনেকেই আছেন যারা অ্যান্ড্রয়েফোনের প্রতি একটু দূর্বল .
আর কম দামে উচ্চমানের ফোন হলে কথাই নাই, আগে ফোন পরে খাওয়া দাওয়া।
তাই আমার মত এখানে যারা অ্যান্ড্রয়েড পাগলারা আছেন এই পোষ্ট তাদেরকে উৎসর্গ করলাম।

কিনতে যাওয়ার আগে সেটের full phone sspecifications ...net a search করে দেখে যাবেন।


আর দুরে কোথাও সেট কিনতে যাওয়ার সময়ে আরো এক জন নিয়ে যাবেন।

১. সেটের ওয়ারেনটি ডেট চেক করতে হবে যদি থাকে।
২. সেটের IMEI 1: ও IMEI2: code ,,box এর সাথে মিলাতে হবে (*#06# ডয়াল করলে তা দেখাযাবে)
৩.কল করে দেখুন ও handsfree করে দেখুন
৪. সব সেন্সর ঠিক কিনা তা চিক করতে হবে।মুলত সেন্সর নষ্ট হওয়ার পরই মানুষ তার সেট বিক্রি করে দেয়,,,
এর জন্য Google play store থেকে Android sensor box appটি download করে রাখবেন।
এটি দিয়ে সব sensor চেক করতে পারবেন।
৫. bluetooth ঠিক আছে কি না তা চেক করুন (android sensor box apps টি তার মোবাইলে পাঠান।এক কাজজে দুই কাজ:) )
৬.mp3 file চালান speaker চেক করুন
৭. battery কত mega harz তা দেখুন মনমত হলে কিনুন।
৮.Andriod version কত ও updateable কত টুকু তা দেখুন মনমত হল কিনবেন

এন্ড্রোয়েড ফোন এতোটা জনপ্রিয় হওয়ার কারনগুলো !


                           

এন্ড্রোয়েড  জনপ্রিয় হবার কারন এর ব্যাবহার বান্ধব ইন্টারফেস , লাইসেন্স ফ্রী মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম । সে কারণেই আমরা অনেকেই এন্ড্রোয়েডে আসক্ত হয়ে পড়ছি। আমরা তো সাধারণ ব্যবহারকারী কিন্তু বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন ও মোবাইল প্রোডাক্টের নির্মাতারাও এই আসক্তির শিকার হয়ে, উইন্ডোজ, সিমবিয়ান, আইওএস ইত্যাদি ছেড়ে এনড্রয়েড নির্ভর পণ্য তৈরি করে চলেছে।বর্তমান বিশ্বের ৪৫ ভাগ স্মার্টফোন এন্ড্রোয়েড চালিত ।
 সবচেয়ে মজার বিষয় হল এন্ড্রয়েড এর সব ভার্সন ই কোন না কোন সুস্বাদু খাবারের নামে নামকরন হয়েছে ।
            

যেসকল বিষয় এন্ড্রয়েড কে এতো জনপ্রিয় করেছে -


  •  উন্নত মিডিয়া সাপোর্ট যা বিভিন্ন অডিও ও ভিডিও ফরম্যাট (যেমন MPEG4, H.264, MP3, AAC, AMR, JPG, PNG, GIF) সাপোর্ট করে।
  • - নিজস্ব ওপেন সোর্স ওয়েবকিট ভিত্তিক ইনটিগ্রেটেড ব্রাউজার ছাড়াও অনন্য বিখ্যাত ব্রাউজার যেমন অপেরা, ফায়ারফক্স বাবহারের সুবিধা।
  • - জি এস এম টেলিফোনি, ব্লু-টুথ, এজ, থ্রি-জি, ওয়াই-ফাই সাপোর্ট ।
  • - উন্নত গ্রাকিক্স সাপোর্ট ।
  • - উন্নত ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট এবং ডালভিক ভার্চুয়াল মেশিন ।
  • - “এনড্রয়েড মার্কেট” নামের প্রায় ছয় লক্ষ সফটওয়্যারের এক বিশাল ভাণ্ডার যেখানে বেশিরভাগ সফটওয়্যারই ফ্রী ও সম্পূর্ণ কার্যকরী।
  • - ফ্রী লাইব্রেরী – আপনি পাবেন গুগল বুকস, জিনিও ম্যাগাজিন, বা এনড্রয়েড পিট থেকে শত শত ই-বই (ePub ফরম্যাটে)।
  • - উন্নত ক্যামেরা, জি পি এস, কম্পাস, এক্সেলারোমিটার সাপোর্ট।
  • - বিভিন্ন ওয়েবসাইট/ওয়াপসাইট থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোডের সহজলভ্যতা। আইফোন বা আইপডের জন্য কোন সফটওয়্যার বা মিডিয়া আপনার ডিভাইসে ব্যবহার করতে হলে আপনাকে আ্যপেলের ওয়েবসাইট বা আইটিউনসের সাহায্য নিতেই হবে। কিন্তু এনড্রয়েডের ডাউনলোড আপনি যে কোন থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট (যেখানে পাওয়া যায়)
  • - সম্পূর্ণ ফ্ল্যাশ সাপোর্ট যা ভার্সন ২.২ থেকে পাওয়া যাচ্ছে।
- বর্তমানে যে হারে এনড্রয়েড নির্ভর ফোন ও মোবাইল কম্পিউটিং ডিভাইস তৈরি হচ্ছে, তাতে আপনাকে নির্দিষ্ট কোন ব্রান্ডে আটকে থাকতে হবে না। ফোন ও মোবাইল কম্পিউটিং ডিভাইস হিসেবে আপনি বেছে নিতে পারেন Samsung, HTC, Dell, Acer, Lenovo, Motorola, Haier, Huawei ইত্যাদি।

এন্ড্রোয়েডের ভার্সন  :


  • এন্ড্রোয়েড  ভার্সন ২.০/২.১ (Eclair) – অক্টোবর ২৬, ২০০৯ ।
  • এন্ড্রোয়েড  ভার্সন ২.২ (Froyo) – মে ২০ , ২০১০ ।
  • এন্ড্রোয়েড  ভার্সন ২.৩ (Gingerbread) – ডিসেম্বর ৬, ২০১০ ।
  •   এন্ড্রুোয়েড ভার্সন ৩.০/৩.১ (Honeycomb) – ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ ।
  • এন্ড্রুোয়েড  ভার্সন ৪.০ (Ice Cream Sandwich) – অক্টোবর ১৯ , ২০১১ ।
  • এন্ড্রুোয়েড  ভার্সন ৪.১ (Android 4.1 Jelly Bean)- জুলাই,২০১২ ।



    Unordered List

    Text Widget